১.৮ লিটার — পুরো পরিবারের জন্য
একবারে ৭–৮ কাপ চায়ের পানি। বারবার বসাতে হয় না। উচ্চতা প্রায় ২৩ সেমি, রান্নাঘরের কোণায় সহজেই আঁটে।
GearUP GK15 — ১৫০০ ওয়াট বোরোসিলিকেট গ্লাস ইলেকট্রিক কেটলি। সুইচ টিপুন, কাচের ভেতর দিয়ে পানি ফুটতে দেখুন।
ঢাকায় সকাল ৭টায় গ্যাসের চাপ থাকে না। চুলার আগুন নীল হয়ে নিভু নিভু জ্বলে, এক কেটলি পানি ফুটতেই আধা ঘণ্টা। অফিসের তাড়া, বাচ্চার স্কুল — সবই অপেক্ষা করে ওই পানির জন্য।
চাপ কম থাকলে আরও বেশি। চুলাটাও দখল হয়ে থাকে, রান্না পিছিয়ে যায়।
১৫০০ ওয়াট। সুইচ টিপে অন্য কাজ করুন — পানি ফুটলে নিজেই বন্ধ হয়ে যাবে।
চওড়া মুখ আর ড্রিপ-ফ্রি স্পাউট — ঢালার সময় ছিটকে পড়ে না।
একবারে ৭–৮ কাপ চায়ের পানি। বারবার বসাতে হয় না। উচ্চতা প্রায় ২৩ সেমি, রান্নাঘরের কোণায় সহজেই আঁটে।
হিটিং এলিমেন্ট কাচের নিচে স্টেইনলেস স্টিলের প্লেটে ঢাকা। পানি সরাসরি কয়েলের সংস্পর্শে আসে না, তাই স্বাদ বদলায় না।
কেটলি তারমুক্ত — যেকোনো দিক থেকে তুলে নিন, তার পেঁচিয়ে যায় না। টেবিলে নিয়ে গিয়ে ঢালতে পারবেন।
কুল-টাচ এরগোনমিক হাতল। পানি ফুটন্ত অবস্থায়ও খালি হাতে ধরতে পারবেন, ওড়না বা কাপড় লাগবে না।
হাত ঢুকিয়ে ভেতরটা পরিষ্কার করা যায়। কলের নিচে ধরে সরাসরি পানি ভরুন — আলাদা জগ লাগবে না।
নুডলস, সুপ, কফি, বাচ্চার ফিডারের গরম পানি, শীতের রাতে গরম পানি — সবই মিনিটের মধ্যে।
সাধারণ কাচ নয় — বোরোসিলিকেট হিট-রেজিস্ট্যান্ট গ্লাস, যে কাচে ল্যাবরেটরির বিকার বানানো হয়। হঠাৎ তাপে ফাটে না।
পানি ফুটে গেলে কেটলি নিজেই বন্ধ হয়ে যায়। ভুলে গেলেও সমস্যা নেই।
ভুল করে পানি ছাড়া চালু করলে কেটলি নিজে থেকেই বন্ধ হবে — এলিমেন্ট পুড়বে না।
চালু থাকলে নিচের রিং নীল হয়ে জ্বলে — দূর থেকেই বোঝা যায় কেটলি অন আছে কি না।
এটা সাধারণ কাচ নয়, বোরোসিলিকেট হিট-রেজিস্ট্যান্ট গ্লাস — ল্যাবের কাচের পাত্র এই কাচেই তৈরি হয়। ফুটন্ত পানির তাপে ফাটে না। তবে যেকোনো কাচের জিনিসের মতোই শক্ত মেঝেতে পড়লে ভাঙতে পারে, তাই বেজে বসিয়ে ব্যবহার করবেন।
এক কেটলি (১.৮ লিটার) পানি ফুটাতে প্রায় ৭ মিনিট লাগে, অর্থাৎ প্রায় ০.১৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ। আবাসিক রেট অনুযায়ী এটি প্রতিবারে মোটামুটি ১.৫–২ টাকার মতো। দিনে তিনবার ব্যবহার করলে মাসে আনুমানিক ১৪০–১৮০ টাকা।
না। হিটিং এলিমেন্ট কাচের নিচে স্টেইনলেস স্টিল প্লেটে ঢাকা থাকে, পানি খোলা ধাতব কয়েলের সংস্পর্শে আসে না। সাধারণ প্লাস্টিক কেটলির মতো গরম প্লাস্টিকের গন্ধও আসে না।
ঢাকার ভেতরে ১–৩ কর্মদিবস, ঢাকার বাইরে ২–৫ কর্মদিবস। অর্ডারের পর আমাদের প্রতিনিধি ফোন করে ঠিকানা নিশ্চিত করবেন। ডেলিভারি চার্জ সারা বাংলাদেশে ফ্রি।
টাকা দেওয়ার আগেই বক্স খুলে দেখতে পারবেন — এটাই আমাদের নিয়ম। ঠিক পণ্যটি এসেছে কি না, কোথাও ভাঙা-ফাটা আছে কি না দেখে নিন। মিল না থাকলে সেখানেই ফেরত দিন, এক টাকাও দিতে হবে না। কুরিয়ার বাধা দিলে তখনই আমাদের হটলাইনে ফোন করুন: ০৯৬৩৮০৫৪৭৫১।
দরজায় দাঁড়িয়ে ইলেকট্রিক জিনিস পুরোপুরি পরীক্ষা করা সম্ভব নয়, সেটা আমরা জানি। তাই বাসায় নিয়ে সাত দিন ধরে নিশ্চিন্তে চালিয়ে দেখুন। কোনো ত্রুটি পেলে ৬ মাসের মধ্যে যেকোনো সময় জানান — পণ্যটি বদলে নতুন দিয়ে দেওয়া হবে, আর রিটার্ন ডেলিভারি চার্জও আমরা দেব।
হটলাইনে ফোন করে সমস্যাটা জানালেই হবে। সঙ্গে বক্স খোলার সময়কার ভিডিওটি রাখলে ক্লেইম সঙ্গে সঙ্গে গ্রহণ করা হয় — তাই পণ্য খোলার আগে মোবাইলে ভিডিও চালু করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। পণ্যের বক্স ও যন্ত্রাংশগুলো রেখে দেবেন।
না, এক টাকাও না। সম্পূর্ণ ক্যাশ অন ডেলিভারি — পণ্য হাতে পেয়ে, খুলে দেখে, তারপর টাকা দেবেন। অনলাইনে কোনো পেমেন্ট করতে হবে না, কার্ড বা বিকাশের তথ্যও আমরা চাই না।
ইলেকট্রিক পণ্য কিনতে গিয়ে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা একটাই — “আগে টাকা দিয়ে দিলাম, জিনিসটা যদি কাজ না করে?” আপনাকে সেই ঝুঁকি নিতে হবে না।
টাকা দেওয়ার আগে বক্স খুলে দেখে নিন — ঠিক পণ্যটি এসেছে কি না, কাচ বা বডিতে কোথাও ভাঙা-ফাটা আছে কি না, সব যন্ত্রাংশ আছে কি না। মিল না থাকলে সেখানেই ফেরত দিন, এক টাকাও দিতে হবে না।
দরজায় দাঁড়িয়ে ইলেকট্রিক জিনিস পুরোপুরি পরীক্ষা করা যায় না — ডেলিভারি ম্যান ১.৮ লিটার পানি ফোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। তাই বাসায় নিয়ে সাত দিন ধরে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন: পানি ঠিকমতো ফুটছে কি না, অটো শাট-অফ কাজ করছে কি না, কোথাও লিক করছে কি না।
সাত দিনেই হোক বা পাঁচ মাস পরে — পণ্যে ত্রুটি দেখা দিলে ৬ মাসের মধ্যে যেকোনো সময় জানান, আমরা বদলে নতুন পণ্য দিয়ে দেব। রিটার্ন ডেলিভারি চার্জও আমরা দেব, আপনার বাড়তি কোনো খরচ নেই।
বক্স খোলার সময় মোবাইলে একটা ভিডিও করে রাখুন। ভিডিওটা থাকলে আপনার ক্লেইম নিয়ে কোনো প্রশ্নই ওঠে না — পণ্য বদলানোর অনুরোধ সঙ্গে সঙ্গে গ্রহণ করা হয়। তাই কুরিয়ার আসার আগেই ফোনের ক্যামেরা তৈরি রাখুন।
মাত্র ৩টি তথ্য — নাম, মোবাইল নম্বর আর ঠিকানা